বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ মার্চ ২০১৯

প্রকল্পের বিবরণ

১. লিভারেজিং-আইসিটি-প্রকল্প

 

২. ফোর টায়ার ডাটা সেন্টার প্রকল্প

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ও ‘ভিশন ২০২১’  বাস্তবায়নে নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এর ফলে দেশের সরকারী ও বেসরকারী  বিভিন্ন নাগরিক সেবার ডিজিটালাইজেশন হচ্ছে। এ কারণে ক্রমাগত বিপুল পরিমাণ তথ্য বা ডেটার উৎপত্তি ঘটছে যার নিরাপদে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ চাহিদা মেটানোর জন্য উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিশ্বমানের ডেটা সেন্টার প্রয়োজন।  বিসিসি’তে ইতোমধ্যে একটা ডেটা সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে  যা থ্রী টিয়ার সার্টিফাইড। কিন্তু ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানোর জন্য  বিসিসি একটি ফোর টিয়ার ডেটা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে যা ‘ফোর টিয়ার জাতীয় ডাটা সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিস্তারিত...

 

৩. ইনফো-সরকার–প্রকল্প (ফেজ-৩)

রূপকল্প ২০২১:ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে জনগনের সেবার মান উন্নয়নের লক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) কর্তৃক জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবকাঠামো উন্নয়ন (ইনফো-সরকার ৩য় পর্যায় প্রকল্প) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের মেয়াদ ০১ জানুয়ারি ২০১৭ হতে ৩০ জুন ২০১৯। দেশের প্রান্তিক গ্রামীণ জনপদে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে এ প্রকল্পে ২৬০০ ইউনিয়নকে কানেক্টিভিটি প্রদান করা হবে। ফলে তৃণমূল পর্যায়ে ই-সেবার পরিধি বৃদ্ধি পাবে। দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আসবে। তরুণ তরুণীদের ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। এছাড়াও বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে ১০০০ অফিস দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবার আওতাভুক্ত হবে। বিস্তারিত...

 

৪. উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প

উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্পটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০১৬ সালের জুলাই মাস থেকে প্রকল্পটি সম্পুর্ন জিওবি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ২২৯৭৩.৮৬ লক্ষ টাকা। উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমীর মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম তৈরি ও উদ্যোক্তা বান্ধব সংস্কৃতি তৈরি করা প্রকল্পের লক্ষ্য। ২০১৯ সালের জুন মাসে প্রকল্পের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে।বিস্তারিত...

 

৫. ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্লান প্রকল্প

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যে “ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্ণমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন” শীর্ষক প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। বিস্তারিত...

 

৬.গবেষণা ও উন্নয়নের  মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প

 

৭. বাংলাদেশ ই-গভর্নমেন্ট ইআরপি

সরকারী সংস্থার অটোমেশনে বিচ্ছিন্ন কিছু সিস্টেম তৈরী হচ্ছে যা বিভিন্ন সংস্থার তথ্য বিনিময়ে বিশাল বাঁধা। সরকারের সকল সংস্থার জন্য একটি একক সমাধান পদ্ধতি বিবেচনা করে “বাংলাদেশ ই-গভর্নমেন্ট ইআরপি” তৈরীর মাধ্যমে ই-গভর্নমেন্টের জন্য প্রতিষ্ঠিত  অবকাঠামো ব্যবহার নিশ্চিত করা যাবে। অধিকিন্তু, ওপেন সোর্স লাইসেন্স-ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহার করে বাংলাদেশ সরকারের জন্য একটি কাস্টমাইজড "ইআরপি" তৈরির মাধ্যমে "ডিজিটাল বাংলাদেশ"-র জন্য একটি অনন্য ব্র্যান্ড গড়ে  তোলা সম্ভব হবে। বিস্তারিত...

 

৮. ডিজিটাল আইল্যান্ড মহেশখালী প্রকল্প

বাংলাদেশ সরকারের সকল পর্যায়ে বিগত ২০০৯ সন হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর প্রধান লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে প্রযুক্তি ভিত্তিক বিশেষতঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) ভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা। এরূপ উন্নয়নের ছোয়াঁয় দেশের সর্বত্র ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারিত হয়েছে এবং দেশের মানুষ দৈনন্দিন জীবনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্থ হয়ে উঠেছে। তবে এ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও ব্যবহারে দেশের উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চলগুলো পিছিয়ে আছে। উপকূলীয় দ্বীপগুলোকে ডিজিটাল প্রযুক্তি সুবিধা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “ডিজিটাল আইল্যান্ড মহেশখালী” শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে International Organization for Migration (IOM) ও Korea Telecom (KT) বিসিসি’র সাথে একত্রে কাজ করছে। এ প্রকল্পের অভিজ্ঞতা পরবর্তীকালে অন্যান্য দ্বীপাঞ্চলে অনুরূপ সুবিধা সম্প্রসারণে ব্যবহার করা হবে। বিস্তারিত...

 

৯. সফ্টওয়্যার কোয়ালিটি পরীক্ষা ও সার্টিফিকেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠাকরণ

 

১০. তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারসহ সব ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়

 

১১. বাংলাদেশ সরকারের জন্য নিরাপদ ই-মেইল ও ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার স্থাপন

সরকারি ই-মেইল নীতিমালা’র আলোকে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিরাপদ ই-মেইল সিম্টেম বাস্তবায়ন ও ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টারের মাধ্যমে উন্নয়নকৃত কনটেন্ট-এর মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্য বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) কর্তৃক বাংলাদেশ সরকারের জন্য নিরাপদ ই-মেইল ও ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিস্তারিত...

 

১২. ডিজিটাল সিলেট সিটি প্রকল্প

 

১৩. জাপানিজ আইটি সেক্টরের উপযোগী করে আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প

জুলাই ২০১৫ তে প্রকাশিত আইএমএফ এর ওয়ার্কিং পেপার (WP/15/181) অনুযায়ী, জাপানের নিজস্ব শ্রমশক্তি আগামী দুই দশকে সঙ্কুচিত হবে। জাপানের নিজস্ব জনশক্তি ২০১০ সালে ৬৩.০ মিলিয়ন থেকে নেতিবাচক ধারায় ২০৩০ সালে ৫৪.৫ মিলিয়নে নেমে আসবে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জাপানি মার্কেটের জন্য কাজ করতে পারে এমন দক্ষ আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে প্রচুর আইসিটি পেশাজীবী রয়েছে, প্রতি বছর ৩০০০+ আইসিটি গ্রাজুয়েট বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করছে, যারা জাপানের বাজারে দক্ষ আইসিটি জনবলের অভাব পূরণের সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। বিস্তারিত...


Share with :

Facebook Facebook