বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ জুন ২০১৮

ই-জিপি ডাটা সেন্টার রক্ষণাবেক্ষণে সিপিটিইউ-বিসিসি সমঝোতা স্বাক্ষর


প্রকাশন তারিখ : 2018-06-25

ই-জিপি ডাটা সেন্টার রক্ষণাবেক্ষণে সিপিটিইউ-বিসিসি সমঝোতা স্বাক্ষর

ই-জিপি ডাটা সেন্টার রক্ষণাবেক্ষণে সিপিটিইউ-বিসিসি সমঝোতা স্বাক্ষর

জাতীয় ডাটা সেন্টারে সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত ই-জিপি ডাটা সেন্টার স্থাপন বিষয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) সঙ্গে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ) একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। রবিবার শেরেবাংলা নগরে সিপিইিউ-এর কনফারেন্স কক্ষে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব মোঃ মফিজুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুধীর কিশোর চৌধুরী, আইএমইডি অতিরিক্ত সচিব একেএম বদরুল মজিদ, সিপিটিইউ মহাপরিচালক মো. ফারুক হোসেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব, বিশ্বব্যাংকের লীড প্রকিউরমেন্ট স্পেশালিস্ট ড. জাফরুল ইসলাম ও বিসিসি’র পরিচালক তারিক এম বরকতুল্লাহ। অনুষ্ঠানে আইএমইডি, আইসিটি বিভাগ, বিসিসি ও সিপিটিইউ এর কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত বছরের মাঝামাঝি সিপিটিইউ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের জাতীয় ডাটা সেন্টারে ই-জিপি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ডাটা সেন্টার স্থাপন করেছে। যার ফলে ই-জিপি সিস্টেমের পরিচালন দক্ষতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। বিসিসি ওই ডাটা সেন্টার স্থাপনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সিপিটিইউকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে আসছে। স্বাক্ষরিত সমঝোতার মাধ্যমে ই-জিপি ডাটা সেন্টারের নিরাপত্তা, কানেকটিভিটি, ওয়েব সার্ভিস, অবস্থাগত দায়দায়িত্ব, বিরোধ নিষ্পত্তি ইত্যাদি বিষয়ে উভয় পক্ষের দায়িত্ব আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।

 

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে স্থাপিত ই-জিপি ডাটা সেন্টার ছাড়াও সিপিটিইউ ভবনেও আরেকটি ই-জিপি ডাটা সেন্টার ব্যাক-আপ হিসেবে কাজ করছে। বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় ডাইমেপ প্রকল্পের আওতায় সিপিটিইউ দেশে ই-জিপি বাস্তবায়ন করছে। সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক ই-জিপি একটি দ্রুত প্রসার পাওয়া ইলেকট্রনিক সিস্টেম। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে প্রবর্তণের পর থেকে রবিবার পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৩১৯টি সরকারি ক্রয়কারী সংস্থার মধ্যে ১ হাজার ২২৪টিরও বেশি সংস্থা ই-জিপিতে যুক্ত হয়েছে। প্রায় ৪৬ হাজার দরপত্রদাতা এ সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়েছে। ই-জিপি’র মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা মূল্যমানের প্রায় ১ লাখ ৯০টি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক জনকন্ঠ, ২৫ জুন, ২০১৮ ইং।


Share with :

Facebook Facebook